Menu
Back to timeline

২০২৪ (এপ্রিল) – ই-পাসপোর্ট সেবা দেশের সব জেলায় বিস্তৃত

২০২৪ (এপ্রিল) – ই-পাসপোর্ট সেবা দেশের সব জেলায় বিস্তৃত

🟢 পটভূমি ও সূচনা

  • ই‑পাসপোর্ট হিসেবে পরিচিত বায়োমেট্রিক চিপযুক্ত আধুনিক পাসপোর্ট বাংলাদেশে কার্যকর হয়েছিল ২২ জানুয়ারি ২০২০‑এ epassport.gov.bd+5pressinform.gov.bd+5dip.gov.bd+5।

  • এর পর দেশে ধাপে ধাপে মেশিন‑রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) থেকে ই‑পাসপোর্টে রূপান্তর শুরু হয়। আলাদা চিপে ব্যক্তির ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিস্ক্যান, ডিজিটাল স্বাক্ষর ইত্যাদি সংরক্ষিত থাকে passport.comilla.gov.bd।

📅 এপ্রিল ২০২৪: সেবার ব্যাপক বিস্তার

  • ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল ই‑পাসপোর্ট সেবা দেশের সব জেলায় চালু করা হয়েছে বলে সামাজিক মাধ্যমসহ সরকারি সূত্রে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায় ।

  • মোবাইল–রিজিওন‑ভিত্তিক বা অন্য কোনো আবাসিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই, কেবল অনলাইনে আবেদন দিয়ে নাগরিকরা তাদের স্থানীয় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যেতে পারবেন dip.gov.bd+2m.facebook.com+2file-khulna.portal.gov.bd+2।

🎯 প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব

  1. সেবা সহজলভ্যতা নিশ্চিত:
    পূর্বে বড় শহর কিংবা বিভাগীয় জেলা ছাড়া অনেক মানুষকে দূরে যেতে হত। এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলেও অনলাইনে আবেদন ও সঞ্চালন করা যাবে।

  2. ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্যে অগ্রগতি:
    বায়োমেট্রিক ই‑পাসপোর্ট এবং একাধিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের ই‑গভর্ন্যান্স প্রচেষ্টাকে উৎসাহী করেছে ssd.gov.bd+2passport.comilla.gov.bd+2dip.gov.bd+2।

  3. সীমান্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত:
    যাত্রীআবেদনের সঙ্গে ই‑গেটের সংযোগ বাংলাদেশি নাগরিকের যাতায়াত ও অফিশিয়াল ভিসা প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করেছে ।

🌍 কোথায় সেবা পাওয়া যাবে

  • বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ৭টি বিভাগীয় ও প্রায় ৭০ আঞ্চলিক অফিস ই‑পাসপোর্ট সেবা দিয়ে থাকে epassport.gov.bd+8dip.gov.bd+8dip.gov.bd+8।

  • উদাহরণ স্বরূপ: রাজশাহীতে বিভাগীয় অফিস, সিলেটে মৌলভীবাজার, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; খুলনায় যশোর, মাগুরা ইত্যাদি।

📝 আবেদনপ্রক্রিয়া

  • আবেদন করা হবে epassport.gov.bd সাইটে, যেখানে ছবি, নাগরিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট অনলাইনে আপলোড করা যাবে dip.gov.bdmofa.portal.gov.bd+3epassport.gov.bd+3en.wikipedia.org+3।

  • ছবি সংযোজন ও কোনো পেপার ভিত্তিক সত্যায়ন বাধ্যতামূলক নয় ।

  • পেমেন্ট অনলাইনে সম্পন্ন হবে, অথবা ওয়ান, সোনালী, প্রিমিয়ার, বা ফিজিক্যাল ব্যাংকে জমা দিতে পারবেন dip.gov.bd।

⏱️ ডেলিভারির সময়

  • ৪৮ পাতার পাসপোর্টের জন্য:

    • সাধারণ – ২১ দিন,

    • এক্সপ্রেস – ১০ দিন,

    • সুপার‑এক্সপ্রেস – ২ দিন ।

  • ৬৪ পাতার পাসপোর্টেও একই ধরণের ডেলিভারি সূচী প্রযোজ্য, দাম সামান্য বেশি ।

🏛️ সরকারের ভূমিকা

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ই‑পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প পরিকল্পিত হয়েছে dip.gov.bd+4ssd.gov.bd+4pressinform.gov.bd+4।

  • ২৭ মার্চ ২০২৪‑এ প্রকল্পের ১৭তম স্টিয়ারিং কমিটি সভায় এর বিস্তৃত রূপ নিয়ে আলোচনা হয় ssd.gov.bd।

💡 সুবিধা ও সুযোগ

  1. নিরাপত্তা – চিপ সংযুক্ত পাসপোর্টে জালিয়াতি ও ছদ্মবেশ প্রতিরোধ করা যায়।

  2. বেভারেজ পোর্টাল – অনলাইনে আবেদন, স্টেটাস চেক ও পেমেন্ট এক প্ল্যাটফর্মে।

  3. বৈশ্বিক স্বীকৃতি – বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে ই‑পাসপোর্ট সেবা চালু করেছে dip.gov.bd+1dip.gov.bd+1।

    1. প্রবাসীদের সুবিধা – অনেক দেশের ঢাকাভিত্তিক দূতাবাসে এখন ই‑পাসপোর্ট আবেদন নেওয়া হচ্ছে (যেমন সৌদি আরব, তুরস্ক, মায়ামি)
    passport.comilla.gov.bd।

🛠️ চ্যালেঞ্জ ও পরবর্তী পরিকল্পনা

  • প্রাথমিক পর্যায়ে প্রযুক্তিগত জটিলতা: সার্ভার ডাউন বা চিপ রিডিং ব্যর্থতা দ্রুত সময়ে সমাধান করতে হবে।

  • দুর্যোগ বা আঞ্চলিক ব্যর্থতা ক্ষেত্রে বিকল্প কিংবা মোবাইল ক্যাম্প স্থাপন করা যেতে পারে।

  • ই‑বর্ডার গেট ও ই‑পাসপোর্টের সরবরাহ আরও দেশীয় ভিসা ও ইমিগ্রেশন সফ্টওয়্যারে অটোমেশন বাড়াতে পারে।


✅ উপসংহার

২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ‘শেখ হাসিনা’ সরকারের উদ্যোগে অনলাইনের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট সেবার ব্যাপক বিস্তার দেশব্যাপী ধাপ বসিয়েছে। প্রতিটি জেলা থেকে আবেদন করা এখন সম্পূর্ণ ডিজিটাল, সুবিধাজনক ও দ্রুত হয়েছে। বাংলাদেশ ই‑গভর্ন্যান্সের ধারাবাহিকতায় নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মান ও নাগরিক-centric ডিজিটাল পরিবেশের উন্নয়নে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে।

More from the timeline

View all