১৯৪০ সালে, শেখ মুজিবুর রহমান মুসলিম ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, কারণ এটি তার রাজনৈতিক জীবনের প্রথম পদক্ষেপ ছিল এবং ভবিষ্যতে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ের নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪০ সালের ৪ জানুয়ারি কলকাতার মুসলিম ছাত্রদের মধ্যে ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি করার জন্য। এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করা এবং মুসলিম সমাজের সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো।
শেখ মুজিবুর রহমান তখন কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করছিলেন এবং ছাত্রলীগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রবেশ করেন। তার মধ্যে ছিল ভারতবর্ষের মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং একে অপরকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা। ছাত্রলীগে তার সদস্যপদ তাকে রাজনৈতিক জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা দেয় এবং পরবর্তীতে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দেন।
শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রলীগে যুক্ত হয়ে দেখান যে, তিনি কেবলমাত্র ছাত্রসংগঠন বা একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যই নন, বরং একটি বৃহত্তর আন্দোলনের অংশীদার হিসেবে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য তার চিন্তা ও প্রচেষ্টা শুরু করেছিলেন। তার এই দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম পরবর্তীতে তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।