রাজশাহীর একটি সরকারি কলেজে মাছ ব্যবসায়ী ও বিএনপি কর্মী মো. শাহাদ আলীর বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষককে জুতা দিয়ে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষও আহত হন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শাহাদ আলী আগে থেকেই ৫০ লাখ টাকার বেশি চেক জালিয়াতির মামলায় দণ্ডিত আসামি। ২০১৯ সালে আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে আপিল খারিজ হওয়ার পর ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। কিন্তু এরপরও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
ঘটনার পর ওই নারী শিক্ষক আলিয়া খাতুনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়, কারণ অভিযোগ রয়েছে যে তিনি পাল্টা শাহাদ আলীকে চড় মেরেছিলেন। শিক্ষা কর্মকর্তারা কলেজ পরিদর্শন করে তদন্তের নির্দেশ দেন এবং সংশ্লিষ্টদের লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
অধ্যক্ষ জানান, কলেজের একটি পুকুর লিজের বকেয়া টাকা নিয়ে আলোচনার জন্য শাহাদ আলীকে ডাকা হয়েছিল। সেখান থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত। যদিও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে, তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি মামলা করেননি বলে জানান। পুলিশ বলেছে, শাহাদ আলীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।