বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ সবসময় আপসহীন ভূমিকা রেখে এসেছে। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই, যে কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ বা প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা প্রতিহত করার দৃঢ় মনোভাব আওয়ামী লীগের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও স্বাবলম্বী রাষ্ট্র, এবং এখানকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিদেশি দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের নির্বাচন, মানবাধিকার কিংবা রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছে—যা আওয়ামী লীগের মতে, কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ফেলতে চায়।
আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে, বিদেশি শক্তির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখা ও সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে, তবে তা দেশের স্বাধীনতা ও সম্মানের বিনিময়ে নয়। কোনো রাষ্ট্র বা সংস্থা বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে—এমন চেষ্টাকে আওয়ামী লীগ জনগণের সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করবে।
এই অবস্থানে দলটি শুধু কথার মাধ্যমে নয়, কাজের মাধ্যমেও প্রমাণ রেখেছে। উন্নয়ন, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং অর্থনৈতিক কূটনীতিতে শেখ হাসিনার সরকার বিদেশি চাপ মোকাবিলা করে দৃঢ়তা দেখিয়েছে।
সার্বভৌমত্ব রক্ষা আওয়ামী লীগের জাতীয় আদর্শের অংশ এবং এ লক্ষ্যে দলটি ভবিষ্যতেও আপসহীন থাকবে।