যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধরের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম রিয়াজ রহমান হোসাইন। স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার ছাত্রলীগ নেতার নাম হৃদয় মিয়া।
হৃদয় মিয়াকে শারীরিক আঘাতের কারণে রিয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এনওয়াইপিডি)। পুলিশ রিয়াজকে হাতকড়া পরিয়ে কারাগারে নিয়ে যায়। আর হৃদয়কে ম্যানহাটানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেছে এনওয়াইপিডি। হৃদয় ছাত্রলীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি পদপ্রার্থী। হাসপাতাল থেকে ছাত্রলীগ নেতা হৃদয় মিয়া বলেন, ‘আমাদের বিক্ষোভ শেষে বাসায় যাওয়ার জন্য হাঁটছিলাম, এমন সময় এক যুবক এসে আমাকে এবং আওয়ামী লীগকে গালাগালি করে। আমি বললাম, আমি আপনাকে চিনি না জানি না, আমাকে কেন গালিগালাজ করছেন? এ কথা বলতেই অতর্কিতে আমাকে মাথা, ঘাড় ও মুখে ঘুষি মারে।’
হৃদয় বলেন, ‘আমি মাটিতে পড়ে গেলে পাশে থাকা পুলিশ এসে আমাদের দুজনকেই ধরে। পরে অন্য আরেকজন পুলিশ এসে বলে, রিয়াজ প্রথম আঘাত করেছে। পরে পুলিশ আমাকে ছেড়ে দিয়ে তাদের গাড়িতে করে হাসপাতালে দিয়ে যায়।’
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য গিয়াস আহমেদ বলেন, ‘রিয়াজ আমাদের একজন কর্মী। আমি থানায় গিয়েছিলাম। কথা বলেছি, আশা করছি খুব দ্রুত সে ছাড়া পেয়ে যাবে।’
গিয়াস আহমেদ আরও বলেন, ‘ওই ছাত্রলীগ নেতা এয়ারপোর্টে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেছে। সেই ক্ষোভ থেকে রিয়াজ তাকে মেরে দুটি দাঁত ভেঙে দিয়েছে। ছাত্রলীগ কর্মীরা আমাদের অনুষ্ঠান ভন্ডুল করতে এসেছিল। এ জন্য সে বেধড়ক মার খেয়েছে।’