বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময় গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল থেকেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, তার মূল ভিত্তিই ছিল গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে সামরিক শাসন, স্বৈরাচার এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থানে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগই একমাত্র দল, যারা বারবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছে এবং রক্ত দিয়েছে।
বর্তমানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র চলছে। একটি গোষ্ঠী বিদেশি প্রভাব কাজে লাগিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে, সংসদকে অকার্যকর দেখাতে এবং সংবিধানবিরোধী শক্তিকে উস্কে দিতে চাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের পক্ষ থেকে গণতন্ত্র রক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।
আওয়ামী লীগ মনে করে, গণতন্ত্র মানে শুধু নির্বাচন নয়, বরং মত প্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো চক্রান্ত প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ রাজপথে, সংসদে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।
এছাড়াও, দলটি জনগণের মধ্যে গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং তরুণ প্রজন্মকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে নানা কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে। আওয়ামী লীগের এই দাবি শুধু রাজনৈতিক স্বার্থ নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যতের প্রশ্ন। সেজন্যই আওয়ামী লীগ স্পষ্টভাবে বলছে—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও রক্ষার সংগ্রামে তারা কোনো আপস করবে না।