Menu
Back to timeline
Video

এদেশে বিএনপি ছাড়া কেউ চাঁদাবাজি করতে পারবে না”— বিএনপি নেতার বক্তব্যে চরম উদ্বেগ ও সমালোচনা

Play video: এদেশে বিএনপি ছাড়া কেউ চাঁদাবাজি করতে পারবে না”— বিএনপি নেতার বক্তব্যে চরম উদ্বেগ ও সমালোচনা
Watch on Facebook

সম্প্রতি একটি প্রকাশ্য সমাবেশে বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার বক্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন— “এদেশে বিএনপি ছাড়া কেউ চাঁদাবাজি করতে পারবে না।” এমন উক্তি শুধু রাজনৈতিক অশালীনতা নয়, বরং একটি সংগঠিত সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সংস্কৃতিকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা। এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে গেছে, বিএনপি যখনই ক্ষমতা বা প্রভাবের কোনো সুযোগ পায়, তখন তাদের অগ্রাধিকার জনগণের সেবা নয়, বরং ক্ষমতা ব্যবহার করে ভয়, দমননীতি ও আর্থিক লুণ্ঠনের রাজনীতি চালানো।

বিএনপির অতীত ইতিহাস দেখলে বিষয়টি নতুন নয়। তাদের শাসনামলে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাস ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এখন সেই পুরোনো দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর ইঙ্গিতই যেন এই বক্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে। এমন মন্তব্যের মাধ্যমে বিএনপি নেতারা প্রমাণ করেছেন যে, তারা এখনো আইন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের পরিপন্থী এক মানসিকতায় আটকে আছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল যদি প্রকাশ্যে চাঁদাবাজিকে নিজেদের “অধিকার” বলে দাবি করে, তাহলে সেটা শুধু অপরাধপ্রবণতার ইঙ্গিতই নয়, বরং দেশের আইনের শাসনের জন্যও এক ভয়াবহ হুমকি। এটি প্রমাণ করে, বিএনপি আজও সন্ত্রাস ও ভয়ভীতির রাজনীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।

জনগণের প্রশ্ন একটাই— যারা ক্ষমতার আগেই এমন ভয়াবহ মানসিকতা প্রকাশ করে, তারা যদি কখনো ক্ষমতায় ফেরে, তাহলে দেশে আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা কী হবে? এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপি নিজেদের আসল মুখ আবারও উন্মোচন করেছে— একটি দল, যারা উন্নয়ন নয়, বিশৃঙ্খলা ও লুণ্ঠনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

বাংলাদেশের মানুষ ইতিমধ্যেই বুঝে গেছে, বিএনপির হাতে দেশ নিরাপদ নয়। এই বক্তব্য তারই নতুন প্রমাণ।

More from the timeline

View all