Menu
Back to timeline

একটি পরিবারকে আর কতবার টার্গেট করা হবে, বিএনপির সহিংসতার শেষ কোথায়?

একটি পরিবারকে আর কতবার টার্গেট করা হবে, বিএনপির সহিংসতার শেষ কোথায়?

আজ কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও কুমারখালী উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম রফিকের ছোট ভাই পৌরসভা কার্যালয়ে একটি নাগরিক সনদ সংগ্রহ করতে গেলে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগে, ২০২৫ সালের ১ মে এস এম রফিক নিজেও একটি বহুল আলোচিত ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। শাহিদ গোলাম কিবরিয়া সেতু এলাকা থেকে তাকে তুলে নেওয়ার ঘটনাটি জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এবং দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছিল।

কিন্তু সেই ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও একই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা অব্যাহত রয়েছে। আজ আবারও সেই পরিবারের একজন সদস্য সহিংসতার শিকার হলেন।

সমালোচকদের মতে, এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়; বরং দেশে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে টার্গেট করার সংস্কৃতিরই প্রতিফলন। তারা বলছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে বিরোধী মত বা ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

একটি পরিবারকে কতবার হামলার শিকার হতে হবে? কতবার তাদের হাসপাতালে ছুটতে হবে? কতবার তাদের জীবন ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে?

আইনের শাসন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু যদি একই পরিবারের সদস্যরা বারবার হামলার শিকার হন এবং অপরাধীরা বিচারের আওতার বাইরে থেকে যায়, তবে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—এই সহিংসতার চক্রের শেষ কোথায়?

বাংলাদেশের জনগণ উত্তর জানতে চায়: একটি পরিবারকে আর কতবার টার্গেট করা হবে, আর কবে শেষ হবে রাজনৈতিক সহিংসতা ও প্রতিশোধের এই সংস্কৃতি?

More from the timeline

View all